নামাজে কেরাতের সুন্নত সাতটি

বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন, ০১৭৭৬৭৮৫৪৭৮, ০১৯৬৭৯৭৯০৯৩

১. প্রথম রাকাতে ছানা পড়ার পর পূর্ণ আউজুবিল্লাহ পড়া। (আবু দাউদ ১/১১১, হাদিস : ৭৬৪, ইবনে মাজাহ ১/৪৪৩, হাদিস : ৮০৭)

২. প্রতি রাকাতে সুরা ফাতিহা ও সুরা মেলানোর আগে পূর্ণ বিসমিল্লাহ পড়া। (নাসায়ি ১/১০৪, হাদিস : ৯০৪)

৩. সুরা ফাতিহার পর ইমাম, মুক্তাদি বা একাকী নামাজি সবাই নীরবে ‘আমিন’ বলা। (বুখারি ১/১০৮, হাদিস : ৭৮২, মুস্তাদরাকে হাকেম ২/২৩২, হাদিস : ২৯১৩, সুনানে দারা কুতনি ১/২৬৩, হাদিস : ১২৫৬)

৪. ফজর ও জোহরের নামাজে ত্বিওয়ালে মুফাসসাল (লম্বা কেরাত), অর্থাৎ সুরা ‘হুজুরাত’ থেকে সুরা ‘বুরূজ’ পর্যন্ত যেকোনো সুরা পড়া। আসর ও এশার নামাজে আউসাতে মুফাসসাল (মধ্যম কেরাত) অর্থাৎ সুরা ‘ত্বারিক’ থেকে সুরা ‘লাম-ইয়াকুন’ পর্যন্ত যেকোনো সুরা পড়া। মাগরিবে কিসারে মুফাসসাল (ছোট কেরাত) অর্থাৎ সুরা ‘ইজা-জুলজিলাৎ’ থেকে সুরা ‘নাস’ পর্যন্ত প্রতি রাকাতে যেকোনো একটি সুরা পড়া অথবা অন্য বড় সুরা থেকে এ পরিমাণ কেরাত পাঠ করা। (নাসায়ি ১/১১৩, হাদিস : ৯৮২, মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ২/১০৪, হাদিস : ২৬৭২)

৫. ফজরের প্রথম রাকাত দ্বিতীয় রাকাতের চেয়ে লম্বা করা। অন্যান্য ওয়াক্তে উভয় রাকাতে কেরাতের পরিমাণ সমান রাখা উচিত। (মুসলিম ১/১৮৬, হাদিস : ৪৫১, ৪৫২)

৬. কেরাত অত্যন্ত তাড়াতাড়ি বা একেবারে ধীরগতিতে না পড়া, বরং মধ্যম গতিতে পড়া। (মুসলিম ১/২৫৩, হাদিস : ৭৩৩)

৭. ফরজ নামাজের তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে শুধু সুরা ফাতিহা পড়া। (বুখারি ১/১০৭, হাদিস : ৭৭৬, মুসলিম শরিফ ১/১৮৫, হাদিস : ৪৫১)

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
দয়া করে আপনার নাম লিখুন