নিয়মিত মসজিদ পরিচ্ছন্ন ও তাহাজ্জুদ আদায় করতেন মুরসি

মুরসি

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রথমবারের মতো গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মিসরের প্রথম প্রেসিডেন্ট  হাফেজে কোরআন ড. মোহাম্মদ মুরসির ইন্তিকালে শোকাহত গোটা মুসলিম বিশ্ব।

মুরসির মৃত্যুতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, রাষ্ট্রপ্রধান ও নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন। সাবেক এ প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে বিশ্বব্যাপী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে শোক প্রকাশ করতে দেখা গেছে লাখ লাখ সাধারণ মানুষকে। গোটা মুসলিমবিশ্বই যেন মুরসির জন্য শোকাহত।

মুরসি ছিলেন ভালো একজন হাফেজ। তিনি যেখানেই যেতেন নিজে নামাজের ইমামতি করতেন। গত রমজানে কারাগারে তার ইমামতিতেই খতম তারাবিহ পড়েছে কারাবন্দিরা।

ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করতে গিয়ে বেশ কয়েকটি বছর মুরসি যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। করেন। সাঈদ আল গামিদি নামের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সৌদি এক নাগরিক মুরসিকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে একটি টুইট করেছেন।

তিনি লেখেন, যুক্তরাষ্ট্রে মুরসি আমার প্রতিবেশী ছিলেন। প্রতিদিন ফজরের আজানের আগেই স্ত্রীকে নিয়ে মসজিদে আসাটা ছিল তার নিয়মিত অভ্যাস। তারা উভয়ে নিয়মিত মসজিদ-পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশগ্রহণ করতেন। নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়তেন। ফজর নামাজ পড়ে মসজিদ ত্যাগ করতেন মিসরের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুরসি। কোনোদিন যদি ওই মসজিদে আজান না হতো, তাহলে তার কথাই আমরা স্মরণ করতাম। তিনি তখন আজান দিতেন।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করা বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ড. মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ লেখেন,  মোহাম্মদ মুরসি রাজনীতিতে আসার আগেই তার সঙ্গে আমার পরিচয়। সেসময়ই তিনি কোরআনে কারিমের হাফেজ ছিলেন। মসজিদ দেখাশোনা করতেন। মসজিদ সংশ্লিষ্টদের খোঁজখবর রাখতেন। এমনকি তাকে নিয়মিত মসজিদ পরিষ্কার করতেও দেখেছি। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
দয়া করে আপনার নাম লিখুন