ভারতে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

ডেইলি ইসলাম: ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন শীর্ষ আদালতেরই এক সাবেক কর্মী। সুপ্রিম কোর্টের জুনিয়র অ্যাসিসট্যান্ট হিসেবে কাজ করা ওই মহিলা তাঁর অভিজ্ঞতার বিবরণ দিয়ে ২২ জন বিচারপতির কাছে অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তবে অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে এ ঘটনা ভারতের বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন রঞ্জন গগৈ। এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

শীর্ষ আদালতের ২২ জন বিচারপতিকে দেওয়া এফিডেভিটে ওই নারীর অভিযোগ, শুধু তার সঙ্গেই যৌন নির্যাতন নয়, তার পরিবারকেই রীতিমতো হেনস্থা করেছেন রঞ্জন গগৈ।

নারীর দাবি, ২০১৮ সালের ১১ অক্টোবর তাকে যৌন হেনস্তা করেন ভারতের প্রধান বিচারপতি। এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাকে সুপ্রিমকোর্টের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। শুধু তাই নয়, প্রভাব খাটিয়ে আক্রমণ চালানো হয় তার পরিবারের উপরও। দিল্লি পুলিশের চাকরি থেকে সাসপেন্ড করা হয় তার স্বামী ও দেওরকে। চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ওই মহিলার ভাইকেও।

এই বিষয়ে শনিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি চলে। এই মামলার রায় বিচারপতি অরুণ মিশ্র দেবেন বলে জানিয়েছেন রঞ্জন গগৈ। ২০ বছরের কেরিয়ারে তাঁকে এমন অভিযোগের মুখে পড়তে হবে তা কখনোও ভাবেননি বলে আক্ষেপ করেন প্রধান বিচারপতি। খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সেক্রেটারি জেনারেলও।

প্রধান বিচারপতি বলেন, তাঁর পিওনের তাঁর থেকে বেশি সম্পত্তি রয়েছে। বিচার বিভাগকে ইচ্ছাকৃত ভাবে টার্গেট করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র বিচারপতিরা এই মামলা খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন রঞ্জন গগৈ। রবিবার আদালতে এসে তিনি তাঁর হাতে থাকা সব মামলা ছেড়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ মাদ্রাসার টাকা যেত প্রশাসন ও আওয়ামী লীগ নেতাদের পকেটে

রঞ্জন গগৈ ওই মহিলার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে মনে করিয়ে দেন।

এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে দায়িত্বের সঙ্গে খবর পরিবেশন করতে অনুরোধ করেছেন বিচারপতি অরুণ মিশ্র।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
দয়া করে আপনার নাম লিখুন