পিরোজপুরে মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার নদমূলা গ্রামে অষ্টম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ ওঠেছে। সেই সঙ্গে ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছে অভিযুক্তরা। গত সোমবার দুপুরে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবা জানান, সোমবার বেলা ১১ টার দিকে মেয়েটি পার্শ্ববর্তী হেতালিয়া গ্রামে তার অসুস্থ মায়ের কাছে নানা বাড়িতে যাচ্ছিল। সে স্থানীয় তোজের বাড়ির সামনের সড়কে পৌঁছলে নদমূলা গ্রামের আলম জোমাদ্দারের ছেলে সজল এবং তার এক সহযোগী রাকিব মেয়েটির মুখ বেঁধে ধরে একটি পানের বরজে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও চিত্র ধারণ করে। ধর্ষণের কথা কাউকে জানালে ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে মেয়েটিকে হুমকি দেয়।

একদিন পরে মেয়েটি তার স্বজনদের কাছে ঘটনাটি জানানোর পর তার বাবা মামলা করতে চাইলে সজল ও রাকিব মেয়েটির বড়ভাইকে ডেকে ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করে। রাকিব ভিটাবাড়ীয়া গ্রামের কালাম মোল্লার ছেলে। সে নদমূলা গ্রামে তার নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মেয়েটির বাবা জানান।

পরে বৃহস্পতিবার রাতে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেন। শুক্রবার পিরোজপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ভাণ্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহাবুদ্দিন জানান, এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ২ জনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
দয়া করে আপনার নাম লিখুন