কাবা শরিফ ধোয়ার পবিত্র উৎসব

সৌদি আরবের দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রীতি অনুযায়ী প্রতিবছর শাবান মাসের প্রথম দিন পবিত্র কাবাঘর ধৌত করার কর্মসূচি পালন করা হয়। সৌদি বাদশাহ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এ আয়োজনে অংশ নেন।

কাবাঘরের ভেতরে ধোয়া-মোছার পুণ্যকর্মে শায়খ সুদাইস

কাবাঘর পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হয় জমজম পানি, খাঁটি গোলাপ জল এবং উন্নত মানের সুগন্ধি উদ ও কস্তুরি। কাবাঘর ধোয়ার জন্য ভেতরে প্রবেশের আগে তাওয়াফ এবং দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা হয়। কাবা শরিফ পরিষ্কার করতে গোলাপের সুগন্ধিযুক্ত জমজমের পানি মেঝেতে ঢালা হয়, তারপর খালি হাতে খেজুরপাতা দ্বারা পরিষ্কার করা হয়। পরিষ্কার করার পর মেঝে ও দেয়াল কোমল সাদা কাপড় ও উন্নত মানের টিস্যু দিয়ে শুকানো হয়। কাবা শরিফ ধোয়ার সময় দুই ঘণ্টা দরজা খোলা থাকে।

কাবাঘরের অভ্যন্তরে ধোয়ামোছার পবিত্র উৎসব শেষে নামাজ আদায় করছেন বাদশাহ সালমান, শায়খ সুদাইস ও অন্যান্যরা

মূলত রাসুল মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসরণে পবিত্র কাবা শরিফ ধোয়ার এই কাজটি একটি বড় উৎসব হিসেবে পালন হয় করা হয়। ৬৩০ সালে যখন হজরত রাসুল (সা.)-এর নেতৃত্বে মুসলমানরা মক্কা বিজয় করেছিল, তখন তিনি মহান আল্লাহর এই পবিত্র ঘরকে ধৌত করেছিলেন।

শাবান মাসে কাবা শরিফ ধোয়া হলেও কাবার গায়ে জিলহজ মাসের ১০ তারিখে নতুন গিলাফ পরানো হয়।

এমএমইউ/

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
দয়া করে আপনার নাম লিখুন