জিলহজ মাসের প্রথম দশকের রোজা

মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা

জিলহজ মাসের প্রথম দশকের রোজা : রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর কাছে এত বেশি প্রিয় ও মর্যাদাসম্পন্ন, যার সমতুল্য বছরে আর কোনো দিন নেই। এ কথা শুনে সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করাও কি এর সমকক্ষ হবে না?’ রাসুল (সা.) জবাব দিলেন, ‘না, তা-ও হবে না। তবে যে ব্যক্তি জিহাদে গিয়েছে, এ কাজে অর্থ ব্যয় করেছে, জীবনও বিলিয়ে দিয়েছে (জান ও মাল সব কিছু বিসর্জন দিয়ে আল্লাহর কাছে চলে গেছে, বাড়িতে পরিবার-পরিজনের কাজে) আর ফিরে আসতে পারেনি, অবশ্য তার পুরস্কার ভিন্ন।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৯৬৯)

আরাফাতের দিনের রোজা : আরাফার দিন বা জিলহজ মাসের ৯ তারিখ (যেদিন হাজিরা আরাফার ময়দানে সমবেত হন), সেদিন রোজা পালনকারীদের জন্যও আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘আরাফার দিনের রোজা সম্পর্কে আল্লাহর কাছে আশা করি যে তা বিগত এক বছর ও আগামী এক বছরের পাপের কাফফারা হিসেবে গ্রহণ করা হবে।’ (মুসলিম, হাদিস : ১১৬২)

তবে এই দিনে সেখানে অবস্থানরত হাজিরা এ রোজা রাখবে না। কেননা রাসুল (সা.) হজ পালনরত অবস্থায় এ রোজা রাখেননি। হজের পরবর্তী কার্যক্রমগুলো সুস্থভাবে পালন করার লক্ষ্যে হাজিদের জন্য এই দিনে রোজা না রাখার মধ্যেই সওয়াব বেশি।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
দয়া করে আপনার নাম লিখুন