ইবির সাথে ১৬ দেশের ১০২ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতার দ্বার উন্মুক্ত

একাডেমিক ও রিসার্চের গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দক্ষিণ এশিয়ার ১৬টি দেশের ১০২টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সাউথ এ্যান্ড সাউথ ইস্ট এশিয়া নেটওয়ার্ক গঠন করা হয়েছে। এই নেটওয়ার্কভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছে। এতে ১০২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, সাংস্কৃতিক ও গবেষণা সহযোগিতার দ্বার উন্মুক্ত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রকাশনা ও জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, সাউথ এ্যান্ড সাউথ ইস্ট এশিয়া ইউনিভার্সিটি নেটওয়ার্কে বাংলাদেশ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ৯ টি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। নেটওয়ার্কভু্ক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে উচ্চ শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে চীনের কুনমিং ইউনান ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে সাউথ এন্ড সাউথইস্ট এশিয়া ইউনিভার্সিটি নেটওয়ার্ক গঠন করা হয়। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সদস্যভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সহযোগিতা শক্তিশালী করা, মেধা ও পেশাদারিত্ব উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করা, বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা সহযোগিতার সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একযোগে কাজ করে যাবে। গত ২০১৮ সালের ৯ ডিসেম্বরে বাংলাদেশে থেকে ইবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী সাউথ এন্ড সাউথইস্ট এশিয়া ইউনিভার্সিটি ভাইস-চ্যান্সেলর ফোরামের দ্বিতীয় সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সদস্যভুক্ত ১০২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর ফোরামের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মাফিক সার্বিক কার্যাবলী পরিচালিত হবে।

সাউথ এ্যান্ড সাউথ ইস্ট নেটওয়ার্কভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে চীনের ৪৪টি, ভারতের ৪টি, সিঙ্গাপুরের ১টি, ইন্দোনেশিয়ার ১টি, থাইল্যান্ডের ৭টি, আফগানিস্তানের ২ টি, কম্বোডিয়ার ৩ টি, লাওসের ২টি, মালয়েশিয়ার ৪টি, মালদ্বীপের ১টি, মিয়ানমারের ৭টি, নেপালের ১টি, পাকিস্তানের ১০ টি, শ্রীলঙ্কার ৩ টি, এবং ভিয়েতনামের ৫ টি সহ সর্বমোট ১৬ টি দেশের ১০২ বিশ্ববিদ্যালয়।

ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী ইত্তেফাক কে বলেন,‘আন্তর্জাতিকীকরণের প্রক্রিয়ায় ইবির প্রাথমিক পর্যায়ে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে একচেঞ্জ এবং কোলাবরেশনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইবি পরিচিত হবে।’

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
দয়া করে আপনার নাম লিখুন