রাখে আল্লাহ মারে কে? : সাবাব চৌধুরি

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় নির্বাচনী গণসংযোগে নৌকাপ্রার্থী জনাবা শিউলী একরামের পুত্রসহ ভক্তদের ওপর হামলা হয়েছে। জানা যায়, গণসংযোগের এক পর্যায়ে নৌকা সমর্থকদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। অল্পের জন্য প্রানে বেঁচে যান, নোয়াখালী ৪ আসনের সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরির একমাত্র পুত্র সাবাব চৌধুরি।

নির্মম এই হামলার বিবরণ তিনি নিজেই তার ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন। নিম্নে তা হুবহু তুলে ধরা হলো,

“প্রাণের কবিরহাট উপজেলাবাসী”
গত এক সপ্তাহ ধরে আমি সাবাব চৌধুরী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও নোয়াখালীর ঠিকানা ওবায়দুল কাদের আঙ্কেলের দেওয়া আমার মা শিউলি একরামের নৌকার পক্ষে গণসংযোগ, পথসভা,মিছিল ও বাজারে লিফলেট বিতরণ সহ অনেক প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে সফলভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম করে আসছিলাম।

কিন্তু গত পরশু সন্ধায় চাপ্রাশিরহাটের হানুমিয়ার টেক নামক জায়গায় আনরস মার্কার প্রার্থী টিটু সাহেব সহ তার গুন্ডাবাহিনী নৌকার কর্মীদের আতঙ্কিত করার জন্য গুলিবর্ষণ করে চলে যায়।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে টিটু সাহেবরা কবিরহাট বাজারে সুশৃঙ্খল নৌকার গণসংযোগে আমি ও নৌকার নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়।

একপর্যায়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্য বৃষ্টিরমত গুলিবর্ষণ শুরু করে। পরে আল্লাহ অশেষ রহমতে নেতাকর্মীরা জীবনবাজি রেখে আমাকে নিরাপদে একটা দোকানে নিয়ে যায়। কিন্তু আমাদের নৌকার অনেক কর্মীরা আহত ও গুলিবিদ্ধ হয়।

টিটু সাহেবরা যখন দেখছে আমি মাঠে নামার পরে কবিরহাট উপজেলার ৯০ ভাগ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীরা নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করেছে তাই নিশ্চিত হেরে যাবে জেনে তারা এমন নেক্কারজনক হামলা চালিয়েছে।

রাখে আল্লাহ মারে কে?

আমার পিতার সাজানো কবিরহাট উপজেলার জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য আমার জিবন দিয়ে হলেও ঐসব বিশ্বাস ঘাতক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে থেকে ৩১ তারিখে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করবো ইনশাল্লাহ।
পরিশেষে আমার বাবার সেই স্লোগান দিয়ে প্রাণের কবিরহাটবাসীকে বলতে চাই
“আপনারা আমার
আমি আপনাদের “।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
দয়া করে আপনার নাম লিখুন