মাদকের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের লড়াই

মাওলানা কাসেম শরীফ

‘নতুন সংবিধান অনুযায়ী মদ নিষিদ্ধ। চলচ্চিত্র ক্রুরা এটা মানতে পারছিল না। হোটেলে মদ জোগাড়ের চেষ্টা করলাম। কিন্তু কিছুই পাওয়া গেল না। শেষে কালোবাজারে হুইস্কি কেনা ছাড়া উপায় রইল না। এক বোতল রেড জনি ওয়াকারের জন্য লাগল ১৪ হাজার ইয়েন। আরেকবার বলি, এখানে একজন শ্রমিকের এক দিনের মজুরি ১২০ ইয়েন।’ এ বক্তব্য জাপানি সাংবাদিক নাগিসা ওয়াশিমার। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে এসে তিনি এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তাঁর ডকুমেন্টারি ইউটিউবে পাওয়া যায়। (দেখুন : Rahman, The Father of Bengal-A Film by Japanese Film Director Nagisa Oshima)

বোঝা যাচ্ছে যে কত মজবুত হাতে সে সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে মাদকমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন।

মাদক মানবসভ্যতার ঘাতক। বঙ্গবন্ধু আমরণ মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন। মাদকদ্রব্য সেবন যেখানে সমাজের উচ্চ শ্রেণির মানুষের শৌখিনতা, বঙ্গবন্ধু সেখানে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। শুধু ব্যক্তিগত ও ঘরোয়া পরিবেশেই তিনি মদ ত্যাগ করেননি, তিনি চেয়েছেন মাদকমুক্ত দেশ গড়তে। তাঁর জীবদ্দশায় তাঁর বাসভবনে মাদকদ্রব্যের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে তিনিই সর্বপ্রথম আইন করে মদ, জুয়াসহ অনৈসলামিক বিভিন্ন কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করেছিলেন। একবার তাঁর পিতা লুৎফর রহমান সাহেব তাঁকে বললেন, ‘মুজিব, তুমি রাষ্ট্রীয়ভাবে মদ নিষিদ্ধ করছ, আর তোমার সচিবালয়ে মদ আছে, কোনো কোনো মন্ত্রী মদ খাচ্ছে।’ এ কথা শুনে বঙ্গবন্ধু সরাসরি সচিবালয়ে চলে যান। গিয়ে তিনি তল্লাশি চালিয়ে অনেক মদের বোতল বের করে আনেন। এরপর তিনি সচিবদের জিজ্ঞেস করেন, ‘এখানে মদ এলো কী করে?’ তাঁরা বলেন, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা এলে তাঁরা মদ নিয়ে আসেন।’ বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘রাষ্ট্রদূতরা এনেছে ভালো কথা, কিন্তু এগুলো এখানে কেন? কেন এগুলো রাষ্ট্রীয় সংগ্রহশালায় জমা দেওয়া হলো না?’ (সূত্র : মুসা সাদিক, সাবেক সচিব)

মহান মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান সরকার যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি, কারণ ও করণীয় বিষয়ে একটি কমিশন গঠন করে। কমিশনটির নাম হামুদুর রহমান কমিশন। সেখানে রয়েছে, জেনারেল ইয়াহিয়া বঙ্গবন্ধুকে গোলটেবিল আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু তখন শর্ত দিয়েছেন, ওই টেবিলে মদ নিয়ে আসা যাবে না। এটা ইয়াহিয়ার জন্য অসম্ভব ছিল। কেননা মদ ছাড়া তিনি থাকতে পারতেন না।

মাদকের প্রতি এমন বিরূপ দৃষ্টিভঙ্গি বঙ্গবন্ধুর মধ্যে সৃষ্টি হয়েছিল তাঁর ভেতরে ইসলামের চেতনা থাকার কারণে। চূড়ান্ত বিধান অনুসারে ইসলামে মদ ও মাদকতা নিষিদ্ধ। মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করতে চাইলে অবশ্যই ধর্মীয় অনুশাসন ব্যক্তি ও সমাজের মধ্যে জাগরিত করতে হবে।

যেসব বস্তু সেবনে উন্মত্ততা সৃষ্টি হয় ও বুদ্ধি আচ্ছন্ন করে ফেলে অথবা বোধশক্তির ওপর ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে, পরিভাষায় সেগুলোকে মাদকদ্রব্য বলা হয়। ইসলাম সব ধরনের নেশাদ্রব্য হারাম ঘোষণা করেছে। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘প্রতিটি নেশাদ্রব্যই মদ, আর যাবতীয় মদই হারাম।’ (মুসলিম ও মেশকাত, হাদিস : ৩৬৩৮)

অথচ এই মাদকের ভয়ংকর থাবায় আজ বিশ্বব্যাপী বিপন্ন মানবসভ্যতা। এর সর্বনাশা মরণছোবলে ভেঙে পড়ছে অসংখ্য পরিবার। বিঘ্নিত হচ্ছে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা। ব্যাহত হচ্ছে অর্থনৈতিক উন্নয়ন। বৃদ্ধি পাচ্ছে চোরাচালানসহ মানবতাবিধ্বংসী অসংখ্য অপরাধ। মাদকাসক্তির কারণে সব জনপদেই চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বেড়ে গিয়ে মানুষের জান-মাল ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। সমাজের বেশির ভাগ অপরাধের জন্য মুখ্যভাবে দায়ী এই মাদক। এ জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মদ পান কোরো না। কেননা তা সব অপকর্মের চাবিকাঠি।’ (ইবনে মাজাহ : হাদিস : ৩৩৭১)

হাসপাতালগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, মদপানের দরুন বহু লোক চিকিৎসা করা যায় না এমন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। মাদকসেবীরা মন-মগজের সুস্থতা হারিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটায়, স্নায়ুবিক রোগে জর্জরিত হয়ে থাকে, পেটে স্থায়ী রোগ সৃষ্টি হয়। অনেকে নিজের ধন-সম্পদ উড়িয়ে নিঃস্ব-সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ে। এদের সংখ্যা এত বেশি যে এদের যত উপদেশই দেওয়া হোক, সবই বৃথা। এদের জীবনে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা সম্ভব হয় না।

জাহেলি যুগে আরবের লোকেরা মদপানের জন্য পাগল হয়ে গিয়েছিল। তাদের মাদকাসক্তির কোনো সীমা ছিল না। তাদের ভাষায় মদের প্রায় ১০০টি নাম রাখা হয়েছিল। তাদের কবিতায় মদের বিভিন্ন প্রকারের উল্লেখ আছে। ইসলাম এসে তাদের সুস্থ পথে পরিচালিত করে। এ অবস্থা থেকে তাদের ফিরিয়ে আনতে পর্যায়ক্রমে মাদকতা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুরা বাকারার ২১৯ নম্বর আয়াতে মাদকতা ও জুয়া খেলাকে মহাপাপ বলা হয়েছে। এরপর সুরা নিসার ৪৩ নম্বর আয়াতে মদ পান করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নামাজ পড়তে নিষেধ করা হয়েছে। তারপর সুরা মায়েদার ৯০-৯১ নম্বর আয়াতে মদ চিরতরে হারাম করে দেওয়া হয়েছে। সুরা মায়েদার ৯০ নম্বর আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘তোমরা এসব (মদ, জুয়া ইত্যাদি) থেকে বিরত থাকো।’ ৯১তম আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তোমরা কি বিরত থাকবে না?’ ৯২তম আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তোমরা আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য করো আর (মদ-জুয়ার ব্যাপারে) নিজেকে রক্ষা করো।’ এ আয়াতগুলো থেকে দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রমাণিত হয়, ইসলামে মদ ও মাদকতা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

কোরআনের পাশাপাশি বহু হাদিসেও মদ্যপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘মদ্যপানকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩৩৭৬)

অন্য হাদিসে এসেছে : রাসুল (সা.) প্রেরিত এক ব্যক্তি যখন মদিনার অলিগলিতে প্রচার করতে লাগল যে মদ্যপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তখন যার হাতে মদের যে পাত্র ছিল, সে তা সেখানেই ফেলে দিয়েছিল। (মুসলিম, হাদিস : ৩৬৬২)

মদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ১০ শ্রেণির মানুষকে হাদিসে অভিশাপ দেওয়া হয়েছে। মদের নির্যাস বেরকারী, মদ্যপায়ী, পরিবেশক, বিক্রেতা, ক্রেতা, উৎপাদনকারী কর্মচারী, উৎপাদক, পরিবাহক, আমদানিকারক ও লভ্যাংশ ভোগকারী। (তিরমিজি ও মেশকাত, হাদিস : ২৭৭)

মাদকতার দৈহিক কুফল

বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য চালু আছে। মদ, গাঁজা, ভাং, ভদকা প্রভৃতি নেশাদ্রব্য প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত। বিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে মাদকেরও অগ্রগতি হয়েছে। বর্তমানে মাদকদ্রব্য হিসেবে হেরোইন, মারিজুয়ানা এলএসডি, প্যাথেড্রিন, কোকেন, মরফিন, পপি, হাশিশ, ক্যানবিস ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। সম্প্রতি এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইয়াবা ও ফেনসিডিলের মরণনেশা।

যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্য, যা নেশা সৃষ্টি করে, তা সুস্থ মস্তিষ্কের বিকৃতি ঘটায়, হিতাহিত জ্ঞান ও স্মৃতিশক্তি লোপ করে দেয়। নেশাদ্রব্য গ্রহণের ফলে ধীরে ধীরে মানুষের হজমশক্তি বিনষ্ট হয়। খাদ্যস্পৃহা কমে যায়, চেহারা বিকৃত হয়ে পড়ে, স্নায়ু দুর্বল হয়ে যায়, শারীরিক ক্ষমতা লোপ পায়। অনেক মাদকদ্রব্য কিডনি বিকল করে দেয়। মস্তিষ্কের লাখ লাখ সেল ধ্বংস করে ফেলে। এ ছাড়া লিভার সিরোসিস রোগের সৃষ্টি হয়, যার চিকিৎসা দুরূহ।

মাদকতার আত্মিক, আধ্যাত্মিক ও সামাজিক ক্ষতি

মদের নেশায় বিভোর ব্যক্তি এমন সব কাণ্ডকীর্তি করে বসে, যা পারস্পরিক ক্রোধ, প্রতিহিংসা ও লড়াইয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মাদকতার মাধ্যমে সমাজে অশ্লীলতা বৃদ্ধি পায়। মাদকতার ছোবলে যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যায়। নেশাগ্রস্ত মানুষগুলো অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, নেশায় উন্মত্ত ব্যক্তিরাই চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বহু অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। আধুনিক যুগে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে চালকের মদ্যপানকে দায়ী করা হয়ে থাকে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, মদ্যপান ও নেশাদ্রব্য গ্রহণের ফলে মানুষের অন্তর মরে যায়। মানুষ আল্লাহর স্মরণ, ইবাদত ও নামাজ থেকে উদাসীন হয়ে পড়ে।

ইসলাম মানবতার রক্ষাকবচ। ইসলাম মানুষকে দৈহিক, মানসিক, আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও নৈতিক অধঃপতন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। ইসলাম মানুষের বিবেক-বুদ্ধি হেফাজতের জন্য মাদকবিরোধী আইন রচনা করেছে। একটি সুষ্ঠু সমাজব্যবস্থা বিনির্মাণের জন্য সুস্থ মস্তিষ্ক একান্তভাবেই কাম্য। মাদক মানুষের বিবেক-বুদ্ধিকে নস্যাৎ করে দেয়। ফলে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র তথা গোটা মানবসমাজের অকল্যাণ ও অমঙ্গল সাধিত হয়। মাদকের ক্ষতিকর দিকগুলো লক্ষ করে এর প্রতিকারের জন্য বর্তমান বিশ্বে বহু দেশ ও জাতি এগিয়ে আসছে। পৃথিবীর ১৫টি দেশে মদের ওপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এই দেশগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই মুসলিম। এই তালিকায় রাখা হয়েছে ভারতকেও। একটা সময় পর্যন্ত মদ নিষিদ্ধ ছিল আমেরিকা (১৯২০-১৯৩৩), রাশিয়া (১৯১৪-১৯২৩), কানাডার (১৯১৮-১৯২০) মতো তথাকথিত ‘উদারবাদী’ দেশগুলোতেও। এ ছাড়া একটা সময় পর্যন্ত মদে নিষেধাজ্ঞা ছিল তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়ার অন্তর্গত হাঙ্গেরিতেও। মদ নিষিদ্ধ ছিল নরওয়েতে (১৯১৬-১৯২৭), ফিনল্যান্ডেও (১৯১৯-১৯৩২)। ভারতের কয়েকটি রাজ্যেও মদ নিষিদ্ধ। বর্তমান বিশ্বে ১৫টি দেশে মদ নিষিদ্ধ—

১. আফগানিস্তান, ২ বাংলাদেশ, ৩ ব্রুনাই, ৪ ইরান, ৫ ইন্দোনেশিয়া, ৬ ইয়েমেন, ৭ লিবিয়া, ৮ কুয়েত, ৯ মালদ্বীপ, ১০ পাকিস্তান (মুসলিম ছাড়া সবার জন্য ছাড়), ১১ মৌরিতানিয়া, ১২ সৌদি আরব, ১৩ সুদান, ১৪ সোমালিয়া ও ১৫ আরব আমিরাত।

বাংলাদেশও সে মিছিলে শামিল রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর রক্ত ও আদর্শের যোগ্য উত্তরসূরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা যেমন জঙ্গিবাদকে দমন করেছি। আমরা অঙ্গীকার করেছি, এই মাদক থেকে দেশকে উদ্ধার করব।’ তিনি আরো বলেন, ‘মাদকের জন্য একেকটি পরিবার যে কষ্ট পায়, যেভাবে একেকটি পরিবার ধ্বংস হয়ে যায়…। কাজেই এবার মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান। আমরা সব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও র‌্যাবকে আমরা বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছি। যেখানেই মাদক, সেখানেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সেই কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি।’ (কালের কণ্ঠ : ২১-০৫-২০১৮)

ইসলামী শরিয়তে যেসব অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, মাদকতা তার অন্যতম। ইসলামী দণ্ডবিধি অনুযায়ী মদপানের পার্থিব শাস্তি হলো ৮০ দোররা বেত্রাঘাত। (বাহরুর রায়েক : ৫/৪৭; তাবয়িনুল হাকায়েক : ৩/৪১৪)

এ বিষয়ে হাদিস শরিফে এসেছে, নবী করিম (সা.) মদ্যপানকারীকে খেজুরের ডাল ও জুতা দ্বারা প্রহার করেছেন। আবু বকর (রা.) তাঁর শাসনামলে ৪০টি বেত্রাঘাত করেছেন। ওমর (রা.)-এর খিলাফতকালে মানুষের সমৃদ্ধি এলে তারা প্রচুর পানি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বসবাস শুরু করে। তিনি তাদের বলেন, মদ্যপানের বেত্রাঘাত বিষয়ে আপনাদের মতামত কী? আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) বলেন, এ ব্যাপারে আমি মনে করি যে আপনি সর্বনিম্ন দণ্ড নির্ধারণ করুন। তারপর ওমর (রা.) মদ্যপানের শাস্তি হিসেবে ৮০টি বেত্রাঘাত নির্ধারণ করেন। (মুসলিম, হাদিস : ৪৩৪৬)

বর্তমানে পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশে মাদকতা সমূলে নির্মূলের বিকল্প নেই।

লেখক : সাংবাদিক ও তাফসিরকারক

kasemsharifcu@gmail.com

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
দয়া করে আপনার নাম লিখুন