রমজানে শ্রমিকদের কাজ কমিয়ে দেয়া হয় তুরস্কে

ইবাদতের মাস রমজানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বিশ্বের মুসলমানদের কাছে। এ মাসের পরই যেহেতু ঈদ তাই ব্যবসায়ীদের জন্যও রমজান বিশেষ গুরুত্বের। রমজানে তুরস্কে বেচাকেনার মাত্রা বহুগুণে বেড়ে গেলেও রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় দিনের বেলায় পর্যটন এলাকা ছাড়া অধিকাংশ এলাকার খাবার হোটেল ও রেস্তোঁরা বন্ধ থাকে।

সহমর্মিতার মাস রমজান যেন তুর্কিদের কাছে মুক্তির বারতা নিয়ে আসে। এ মাসে তারা প্রাণ খুলে মোনাজাত করে এবং ঘুরে ঘুরে একে অপরের বাড়িতে গিয়ে রমজানের শুভেচ্ছা জানায়। সরকারের পক্ষ থেকে তুরস্কে রমজান মেলার আয়োজন করা হয়। এ মেলায় বাচ্চাদের বিনোদনের ব্যবস্থাও থাকে। রমজানে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি জনগণের নজরকাড়া সহানুভূতি চোখে পড়ে তুরস্কে। অনেকেই শ্রমিকদের কাজের চাপ কমিয়ে দেয়। শ্রমিক-মালিক একসঙ্গে ইফতার করে।

তুরস্কের অধিকাংশ মানুষই ধর্মপরায়ণ। এদেশেও খেজুর আর পানি দিয়ে ইফতার করেন রোজাদাররা। তুরস্কের অনেক জায়গায় ‘রমজান কিবাবি’ নামক খাদ্যটির ইফতার হিসেবে আলাদা কদর রয়েছে। এটা বিশেষ ধরনের কাবাব। নানারকম শরবতের ব্যবহারও বেশ পুরোনো। তুর্কিদের ইফতার আয়োজনে শুধু মুসলমানরাই নয়, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরাও এক কাতারে বসে ইফতার করে। এছাড়া বড় বড় মসজিদের চারপাশে শত শত দোকানদার নানারকম ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসে।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
দয়া করে আপনার নাম লিখুন